ডুব

যে আমাকে প্রশ্ন করল,                             সে কিছুই না— যদি এমন বাতাসের কাছে গিয়ে রোজ আমি মারা যাই!                 কিংবা, আমার দিকে— তাকিয়ে তুমি ছোট্ট একটি ভাষার মতো তাকে আদর দাও—আর বলো কিছুই না! এই দেখা, অন্য কিছুর সাথে মেলে না— অথচ পাতার নিচে পিঁপড়ার সম্মেলন যুদ্ধ আর মুক্তির চেয়েও                           তারা সুন্দর নৃ— বিস্ফোরণের আগের রাত, এটা আশ্চর্য আমাকে সব দেখাও—কিন্তু সে আমি না! ভাবি, প্রতিটি ছকের সাথেই                       ধাক্কা হবে আমার— কোথাও শব্দ হবে আবার হবে না! মৃদু রেণুর ভেতর                পাখি ও ফুলের কী সম্পর্ক— কে জানে? শুধু কাঁচকান্নার মতো এই দৃশ্য যেন যাবতীয় যন্ত্র—তারা কোথাও স্থির না! কিভাবে দেখি তোমাকে!                 মৃত্যু কি এমন অভয়— বাতাসকে ফাঁকি দিয়ে যাওয়া                 একটি ফুল আমাকে বিশ্বাস করে ফোটে, দূরের হাওয়ায়— যে কাঠবিড়ালি বিগড়ে যায় রোজ হাঠৎ হঠাৎ সেও তো হৃদয়—বনের ছোট্ট এক পরিখা! দমের উপর বসে যে আঁকছে                         চোখের মণি— আর তোমার প্রতিবিম্ব।                     ওখানে কে আমি? ছোট্ট গাছের শরীর, পোকা খাওয়ার সুর— গৃধিনীর গুঞ্জনে ভারি এ ঘর, জাহাজ যেন আমাকে নিয়ে যায়। কিন্তু কোথাও যাচ্ছি না! কালো কৃষক,         তুমি শস্য বানাও। হালকা— এবং মিষ্টি—কিছুটা বিষ, লালের গভীর সে সূর্যাস্তের শার্ট আমার!                          গৃহিণীর আঙুল— তাকে জোড়া লাগাচ্ছে রাত্রি দিয়ে, আকাশ কে নিবে এখন? কেউ তা জানে না! তবু কথার কয়েন,           বাজি ধরতে পারি— এটা পরিবর্তনযোগ্য।           টস করছে কেউ গাছে ছায়া আর শরীরের ভেতর ছাতারের দল— কেউ কেউ ধূলিতে ডুব দিয়ে আর ভাসছে না!
সারাজাত সৌম

সারাজাত সৌম

জন্ম ২৫ এপ্রিল ১৯৮৪, ময়মনসিংহ। পেশা : চাকুরি। প্রকাশিত বই : একাই হাঁটছি পাগল...বিস্তারিত